ইউরোপ ভিসা এজেন্সি বাংলাদেশ ২০২৬ (আপডেটেড তথ্য)

বাংলাদেশে অনেক ইউরোপ ভিসা এজেন্সি রয়েছে। বাংলাদেশের নাগরিকরা সরকারিভাবে কিংবা বেসরকারিভাবে ভিসা প্রসেসিং করে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যায়। ইউরোপে যেতে আগ্রহীদের ইউরোপ ভিসা এজেন্সি বাংলাদেশ সম্পর্কে জানতে হবে। ইউরোপে কাজ, পড়াশোনা ও ভ্রমণের স্বপ্ন পূরণে সঠিক ভিসা প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

বাংলাদেশে এই প্রক্রিয়াকে সহজতর করতে বিভিন্ন ভিসা এজেন্সি কাজ করে থাকে। এজেন্সি আবেদনকারীদের ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত, আবেদন জমা এবং সাক্ষাৎকারে সহায়তা করে থাকে। ইউরোপ ভিসা এজেন্সি বাংলাদেশ সম্পর্কে জানতে এই আর্টিকেলটি শেষ পর্যন্ত পড়ুন।

ইউরোপ ভিসা এজেন্সি বাংলাদেশ ২০২৬

বাংলাদেশ থেকে বেসরকারিভাবে স্টুডেন্ট, টুরিস্ট ও ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যেতে বেসরকারি বিভিন্ন এজেন্সির শরণাপন্ন হতে হয়। ভিসা প্রসেসিং এজেন্সিগুলো আবেদনকারীদের ভিসা প্রক্রিয়াকে সহজতর করতে সহযোগিতা করে থাকে।

ইউরোপ ভিসা এজেন্সি নিয়ে নিচে একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।  ইউরোপ ভিসা প্রসেসিং এজেন্সি তালিকাটি অনলাইন থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তৈরি করা হয়েছে। তাই নিজ দায়িত্বে বিশ্বস্ততা ভেরিফিকেশন করবেন। কারণ ভুয়া এজেন্সি অনেক সময় প্রতারণা করে থাকে।

৪টি ইউরোপ ভিসা এজেন্সি বাংলাদেশ

  • ভিসা প্রসেসিং পয়েন্ট: ঠিকানা: ঢাকা যোগাযোগ:
  • অবকাশ: ঠিকানা: ঢাকা, যোগাযোগ: 01931-333888,
  • GoFlybd: ঠিকানা: মিরপুর, ঢাকা যোগাযোগ: 0171-3289171
  • VFS Global: ঠিকানা: ডেল্টা টাওয়ার, মাদানী এভিনিউ, ঢাকা যোগাযোগ: 09666-911980

আরও পড়ুন: সরকারিভাবে ইউরোপ যাওয়ার উপায়

ইউরোপ যাওয়ার সহজ উপায় ২০২৬

উন্নত জীবনযাত্রা, পেশাগত অগ্রগতি এবং বিশ্বমানের শিক্ষা এই তিনটি বিষয়ই ইউরোপকে সারা বিশ্বের মানুষের কাছে আকর্ষণীয় গন্তব্য করে তুলেছে। বাংলাদেশসহ উন্নয়নশীল দেশের অসংখ্য মানুষ প্রতি বছর ইউরোপের বিভিন্ন দেশে কাজ, পড়াশোনা ও ভ্রমণের উদ্দেশ্যে পাড়ি জমাচ্ছেন।

বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে কাজের ভিসা নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে। বেসরকারিভাবে বিভিন্ন সরকার অনুমোদিত রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং বিভিন্ন ধরনের ভিসা নিয়ে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যাওয়া যায়।

ইউরোপ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়ার জন্য বৈধ কাজের অফার লেটার প্রয়োজন হয়। ইউরোপ স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার জন্য ইউরোপের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অফার লেটার পেতে হয়। আর টুরিস্ট ভিসা পেতে আবেদনকারীদের আর্থিক সক্ষমতা, ট্রাভেল রেকর্ড ও ভালো মানের পেশা প্রয়োজন হয়।

ইউরোপ ভিসার জন্য ভিসা ক্যাটাগরি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে নিজে নিজে অথবা এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং করতে পারবেন। ভিসা আবেদন করার পর অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং করে এম্বাসিতে গিয়ে ইন্টারভিউ দিতে হবে। তারপর ভিসা প্রসেসিং শুরু হয়।

আরও পড়ুন: ইউরোপ ভিসা আবেদন করার নিয়ম

ইউরোপের দেশে যেতে কত টাকা লাগে ২০২৬

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যেতে ভিসা খরচ নির্ভর করে ভিসার ধরন এবং দেশের ওপর। বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে যেতে আগ্রহীদের ইউরোপে দেশে যেতে কত টাকা লাগে সঠিক ধারণা রাখতে হবে। বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের সুযোগ রয়েছে।

বর্তমান বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে যেতে প্রায় ৬ লাখ টাকা থেকে ১৫ লাখ টাকা লাগে। বেসরকারি বিভিন্ন এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং করলে ইউরোপ যেতে খরচ বেশি লাগে। তবে আত্মীয়-স্বজনের মাধ্যমে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যেতে খরচ কম হয়। আর সরকারিভাবে যে কোন দেশে গেলে খরচ কম হয়।

ইউরোপ যেতে কত বছর বয়স লাগে ২০২৬

ইউরোপের বিভিন্ন দেশে যেতে বয়সসীমা নির্ভর করে ভিসার ধরন এবং সংশ্লিষ্ট দেশের অভিবাসন নীতির ওপর। বাংলাদেশ থেকে ইউরোপে কাজের ভিসা কিংবা স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে যেতে আগ্রহীদের অবশ্যই ইউরোপে যেতে কত বছর বয়স লাগে জানতে হবে। বর্তমান ইউরোপে যেকোনো ধরনের ভিসা নিয়ে যেতে আবেদনকারীদের বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে।

দেশের উপর নির্ভর করে বয়সের রিকোয়ারমেন্ট ভিন্ন হয়ে থাকে। এজন্য ইউরোপের কোন দেশে যেতে চাচ্ছেন সেই দেশে যেতে কত বয়স লাগে লিখে সার্চ করতে হয়। কাজের ভিসা নিয়ে যেতে আগ্রহীদের বয়স যদি ২১ বছর থেকে ৩০ বছর হয় তাহলে ভিসা পাওয়ার চান্স বেশি থাকে।

আরও পড়ুন: ইউরোপের কোন দেশে বেতন বেশি

3 thoughts on “ইউরোপ ভিসা এজেন্সি বাংলাদেশ ২০২৬ (আপডেটেড তথ্য)”

  1. আমি হাফেজ মুহাম্মদ আব্দুল্লাহ আমি আগে সৌদি আরব ছিলাম আমি এখন ইউরোপ সার্বিয়া জেতে চাই কোন এজেন্সির মাধ্যমে গেলে আমি শফল হতে পারবো পিলিজ একটু বলবেন

    1. এই বিষয়ে আমরা কোন তথ্য শেয়ার করি না। নিজ দায়িত্বে এজেন্সি নির্বাচন করতে হবে। কারণ আমরা কোন ভিসা প্রসেসিং সেবা দেয় না।

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top