ফিজি কাজের ভিসা ২০২৬ (বিস্তারিত)

বাংলাদেশ থেকে অনেকে ফিজি কাজের ভিসা নিয়ে যেতে চায়। এটি ওশেনিয়া মহাদেশের উন্নয়নশীল অর্থনীতির দেশ। এটি দ্বীপ রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত।

এই দেশের অর্থনীতি প্রধানত পর্যটন ও কৃষি খাতের উপর নির্ভরশীল। এটি বিশ্বের অন্যতম পর্যটক গন্তব্য। এই দেশে কাজের বেতন বাংলাদেশের তুলনায় বেশি হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ থেকে কাজের ভিসা নিয়ে এই দেশে যেতে চাইলে ফিজি কাজের ভিসা পাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত সবকিছু জানতে হয়। এছাড়া ফিজি যেতে কত টাকা লাগে, ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, কাজের বেতন ইত্যাদি বিষয়ে জানতে হবে।

ফিজি কাজের ভিসা পাওয়ার উপায় ২০২৬

ফিজি কাজের ভিসা পাওয়ার জন্য ওয়ার্ক পারমিট প্রয়োজন হয়। এই ওয়ার্ক পারমিট পাওয়ার জন্য ইন্টারনেটে বিভিন্ন জব পোর্টাল ওয়েবসাইটে ফিজি জব অ্যাপ্লিকেশন করতে হয়।

কোম্পানি চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করলে ওয়ার্ক পারমিট ও কাজের অফার লেটার দিয়ে থাকে। এরপর নিজে নিজে ফিজি কাজের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হয়।

বিশ্বস্ত এজেন্সির মাধ্যমে ফিজি কাজের ভিসা প্রসেসিং করতে পারবেন। এক্ষেত্রে এজেন্সিকে মোটা অংকের টাকা দিতে হবে।

বাংলাদেশ থেকে সরকারিভাবে এই দেশে যাওয়া যায় না। বেসরকারিভাবে বিভিন্ন এজেন্সি কিংবা দালালের সাহায্যে কাজের ভিসা নিয়ে এই দেশে যেতে পারবেন।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র:

  • পাসপোর্ট
  • ভিসা আবেদনকারীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • ভোটার আইডি কার্ড
  • স্কিল সার্টিফিকেট
  • পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
  • মেডিকেল সার্টিফিকেট
  • ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্স সার্টিফিকেট
  • ওয়ার্ক পারমিট
  • শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট
  • জব অফার লেটার

আরও পড়ুন: ফিজি কাজের বেতন কত

ফিজি যেতে কত টাকা লাগে ২০২৬

বাংলাদেশ থেকে ফিজি যাওয়ার খরচ ভিসা ক্যাটাগরি অনুযায়ী ভিন্ন হয়ে থাকে। বাংলাদেশ থেকে অল্প খরচে এই দেশে যাওয়া যায়। নিজে নিজে ভিসা প্রসেসিং করলে বাংলাদেশ থেকে ফিজি যেতে প্রায় ৩ লক্ষ টাকা থেকে ৪ লক্ষ টাকা লাগে।

তবে দালাল কিংবা বিভিন্ন এজেন্সি মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে ফিজি যেতে প্রায় ৫ লক্ষ টাকা থেকে ৭ লক্ষ টাকা লাগে। নিজে নিজে ভিসা প্রসেসিং করার জন্য ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করে নিকটস্থ ফিজি এম্বাসিতে যোগাযোগ করতে হয়।

আরও পড়ুন: ফিজি কোন কাজের চাহিদা বেশি

ফিজি যেতে কত বছর বয়স লাগে ২০২৬

ফিজি যাওয়ার জন্য বয়সের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট সীমা ভিসার ধরন অনুযায়ী ভিন্ন হয়ে থাকে। স্টুডেন্ট ভিসা নিয়ে এই দেশে যেতে ন্যূনতম ভিসা আবেদনকারীদের বয়স ১৬ বছর হতে হয়।

কাজের ভিসা পেতে আবেদনকারীদের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর এবং সর্বোচ্চ ৫৫ বছর হতে হয়। টুরিস্ট ভিসা নিয়ে এই দেশে যেতে ভিসা আবেদনকারীর ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর হতে হয়।

আরও পড়ুন: ফিজি কোন কাজের বেতন বেশি

ফিজি যেতে কতদিন সময় লাগে?

ফিজি ভিসা প্রসেসিং হতে সাধারণত ১৪ দিন সময় লাগে। এই কর্ম দিবসের মধ্যে ভিসা পেয়ে যাবেন। বাংলাদেশ থেকে ফিজি ভ্রমণে যেতে ভিসার প্রয়োজন হয় না। শুধু এরাইভাল ভিসা প্রয়োজন হয়।

ভিসা আবেদন দূতাবাসে জমা দেওয়ার ১৪ দিনের মধ্যে প্রসেসিং হয়। বিমানের ফ্লাইটে করে বাংলাদেশ থেকে ফিজি যেতে প্রায় ১৪ ঘন্টা সময় লাগে।

ফিজি থেকে কোন কোন দেশে যাওয়া যায়?

ফিজি থেকে নিউজিল্যান্ড, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, পাপুয়া নিউগিনি, কানাডা ইত্যাদি দেশে প্রবাসীরা সাধারণত অবৈধভাবে যাওয়ার চেষ্টা করে থাকে।

10 thoughts on “ফিজি কাজের ভিসা ২০২৬ (বিস্তারিত)”

      1. আপনার জন্য শুভকামনা। বিশ্বস্ত এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা প্রসেসিং করুন। সরকারিভাবে যেতে চাইলে বোয়েসেলের মাধ্যমে যেতে পারেন।

    1. বিশ্বস্ত এজেন্সির সাথে যোগাযোগ করুন। প্রয়োজনে পরিচিত অভিজ্ঞ মানুষের সহযোগিতা নিন। আমরা কোন ধরনের ভিসা প্রসেসিং করি না। পাঠকদের শুধু গাইডলাইন দিয়ে থাকি। ধন্যবাদ! আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেল: https://t.me/+icyOuiY4RIg5NGI1

  1. আমি ফিজিতে যেতে চাই আমার বয়স ২১ বছর আমি তার আগে সৌদি আরব থেকে ২ বছর কাটিয়ে আসছি আমি ফিজিতে যাব কি কি লাগবে আমি স্টিল পিকচার এর কাজ যানি

    1. সম্পূর্ণ পোস্টটি মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। তাহলে সবকিছু জানতে পারবেন। এরপর বিশ্বস্ত এজেন্সির শরণাপন্ন হতে হবে। ইউটিউব থেকে আরো বিস্তারিত জানতে পারেন

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Scroll to Top