বাংলাদেশ বিশ্বের ১১৯তম দেশ হিসেবে ই-পাসপোর্টের যুগে প্রবেশ করেছে। ই-পাসপোর্ট চালুর ফলে এখন ঘরে বসেই পাসপোর্ট তৈরি করা সম্ভব। তবে এজন্য আপনাকে পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৬ সম্পর্কে জানতে হবে। বিদেশে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট অত্যাবশ্যক।
আগে পাসপোর্ট তৈরি করতে পাসপোর্ট অফিসে গিয়ে নানা ঝামেলা পোহাতে হতো। এতে সময় ও অর্থের অপচয় হতো। তবে ই-পাসপোর্ট চালুর মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সহজতর হয়েছে। আপনি ঘরে বসে নতুন পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৬ জেনে নিলে সহজেই অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৬
ই-পাসপোর্ট করার জন্য প্রথমেই আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। ৫ বছর কিংবা ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্ট আবেদনের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র প্রয়োজন। প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র, আর ২০ বছরের কম বয়সী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে অনলাইন জন্ম নিবন্ধন সনদ আবশ্যক। এছাড়া পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র এবং নাগরিক সনদও প্রয়োজন হয়।
পেশার প্রমাণস্বরূপ, শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্ড কিংবা একাডেমিক সার্টিফিকেট এবং চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে চাকরির পরিচয়পত্র জমা দিতে হয়। সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য NOC (No Objection Certificate) এবং GO (Government Order) দাখিল করতে হয়। অনলাইনে পাসপোর্ট আবেদন ফি পরিশোধ করার পর চালান রশিদ ও 3R সাইজের ছবিও জমা দিতে হয়।
পাসপোর্ট আবেদনের ধরনকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা:
- শিশুদের পাসপোর্ট
- প্রাপ্তবয়স্কদের পাসপোর্ট
- সরকারি চাকরিজীবীদের পাসপোর্ট
বয়সভেদে পাসপোর্ট আবেদনের জন্য আলাদা আলাদা ডকুমেন্টস প্রয়োজন হয়। এজন্য নতুন পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৬ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে হবে।
শিশুদের পাসপোর্ট করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
- শিশুর ডিজিটাল জন্ম নিবন্ধন
- শিশুর পিতা-মাতার জাতীয় পরিচয়পত্র (ফটোকপি)
- অনলাইনে আবেদনের সারাংশ
- অনলাইনে পূরণকৃত আবেদনের কপি
- শিশুর টিকা কার্ড (যদি লাগে)
- শিশুর 3R সাইজের ছবি
প্রাপ্তবয়স্কদের পাসপোর্ট করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
- ভোটার আইডি কার্ডের কপি
- পিতা-মাতার আইডি কার্ডের কপি
- নাগরিক সনদ
- ইউটিলিটি বিল (পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ বিলের কাগজ)
- অনলাইনে আবেদনের সারাংশ
- অনলাইনে পূরণকৃত আবেদনের কপি
- পেশার প্রমাণস্বরূপ (স্টুডেন্ট আইডি কার্ড বা একাডেমিক সার্টিফিকেট অথবা চাকরির পরিচয়পত্র)
- আবেদন ফি পরিশোধের চালান কপি (ব্যাংক ড্রাফট)
- বিবাহিত হলে কাবিননামা
সরকারি চাকরিজীবীদের পাসপোর্ট করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
- ভোটার আইডি কার্ডের কপি
- পিতা-মাতার আইডি কার্ডের কপি
- নাগরিক সনদ
- ইউটিলিটি বিল (পানি, গ্যাস, বিদ্যুৎ বিলের কাগজ)
- অনলাইনে আবেদনের সারাংশ
- অনলাইনে পূরণকৃত আবেদনের কপি
- পেশার প্রমাণস্বরূপ (স্টুডেন্ট আইডি কার্ড বা একাডেমিক সার্টিফিকেট অথবা চাকরির পরিচয়পত্র)
- আবেদন ফি পরিশোধের চালান কপি (ব্যাংক ড্রাফট)
- বিবাহিত হলে কাবিননামা
- NOC (No Objection Certificate)
- GO (Government Order)
লেখকের পরামর্শ
পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে ২০২৬ জেনে ই-পাসপোর্ট আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন। এক্ষেত্রে পাসপোর্ট করার নিয়ম ও ফি সম্পর্কে সঠিক ধারণা রাখুন। পাসপোর্ট তৈরির ক্ষেত্রে অবশ্যই ব্যক্তিগত তথ্য সঠিকভাবে পূরণ করবেন। কোন সমস্যা হলে কমেন্ট করে জানাবেন। প্রয়োজনে পাসপোর্ট হেল্প ডেস্ক থেকে তথ্য সহায়তা নিন।
| 🌍 পাসপোর্ট সম্পর্কিত এই আর্টিকেলগুলো আপনার পড়া উচিত!✈️ |
|---|
| ✅ পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে পাসপোর্ট চেক |
| ⚡ নতুন পাসপোর্ট করতে কি কি লাগে |
| 🚀 পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে ভিসা চেক |
| 📌 পাসপোর্ট হয়েছে কিনা চেক |
| 🆕 পাসপোর্ট নাম্বার দিয়ে মেডিকেল রিপোর্ট চেক |
| 🔑 পাসপোর্ট করার নিয়ম |
ভিসা সম্পর্কিত যেকোনো প্রশ্ন থাকলে টেলিগ্রামে জিজ্ঞেস করুন: Bd Visa Info ২৪ ঘন্টা ফ্রি ভিসা সার্ভিস ও লেটেস্ট আপডেট পেতে ক্লিক করে টেলিগ্রামে যুক্ত হোন: Bd Visa Info
